আমরা শুধু একটা অনলাইন ক্যাসিনো নই। ace37 একটা অভিজ্ঞতা — যেখানে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা আর বাংলাদেশের মানুষের সুবিধাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
২০১৯ সালের দিকে বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং জগতটা ছিল অনেকটাই অরাজক। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো বাংলা ভাষায় সেবা দিত না, বিকাশে পেমেন্ট করা যেত না, আর কোনো সমস্যা হলে বাংলায় কথা বলার কেউ ছিল না।
ace37-এর প্রতিষ্ঠাতারা এই সমস্যাটা নিজেরাও অনুভব করেছিলেন। তাই তারা সিদ্ধান্ত নেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষ দিয়ে তৈরি একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার।
ace37-এর জন্ম হয়েছে এই ভাবনা থেকে। আজ ace37 বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় সক্রিয়, পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ এই প্ল্যাটফর্মে বিনোদন খোঁজেন এবং প্রতিদিন হাজার হাজার লেনদেন বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
"আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের একজন সাধারণ মানুষ যেন ঘরে বসে নিরাপদে গেম খেলতে পারেন, বিজয়ের টাকা সহজে তুলতে পারেন, আর কোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলার কেউ থাকে। ace37 সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপ।"
লাখো মানুষের বিশ্বাসের পেছনে রয়েছে কিছু বাস্তব কারণ। এখানে ace37-এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো দেখুন।
ace37-এ প্রতিটি লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ। আমরা কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য শেয়ার করি না।
ace37-এ বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে মাত্র ১৫ মিনিটে উইথড্রয়াল সম্পন্ন হয়। দিন হোক রাত, সপ্তাহান্ত হোক ছুটির দিন — পেমেন্ট কখনো থামে না।
ace37-এর গ্রাহক সেবা দল ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন বাংলায় সেবা দেয়। লাইভ চ্যাট, ফোন বা ইমেইল — যেকোনো মাধ্যমে যোগাযোগ করুন, দ্রুত সাড়া পাবেন।
ace37-এ রয়েছে পাঁচশোরও বেশি গেম — লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, স্পোর্টস বেটিং, ক্রিকেট, ফুটবল থেকে শুরু করে ক্যারম পর্যন্ত। বাংলাদেশি রুচির কথা মাথায় রেখে গেম বাছাই করা হয়েছে।
ace37-এর বোনাস সিস্টেম বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং জগতে সবচেয়ে স্বচ্ছ। স্বাগত বোনাস থেকে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক পর্যন্ত — প্রতিটি বোনাসের শর্ত সহজ ও বাস্তবসম্মত।
ace37 মূলত মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে তৈরি। স্মার্টফোনে অ্যাপের মতো অভিজ্ঞতা পাবেন। ধীর ইন্টারনেটেও গেম মসৃণভাবে চলে কারণ আমরা বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক বাস্তবতা বুঝি।
ace37-এর মূল লক্ষ্য একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ঢাকার বাইরে যারা থাকেন — সিলেটের চা বাগান, ময়মনসিংহের গ্রাম বা খুলনার উপকূল — তারাও যেন একই মানের সেবা পান।
আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীল গেমিং একটা অধিকার, সুযোগ নয়। তাই ace37 সদস্যদের জন্য খরচ নিয়ন্ত্রণের টুল, স্ব-বর্জনের সুবিধা এবং সচেতনতামূলক তথ্য সবসময় উন্মুক্ত রাখে।
ace37-এর দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি হলো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত গেমিং ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা — বাংলাদেশ থেকে শুরু করে।
আমাদের প্রতিশ্রুতি: ace37 কখনো সদস্যদের সাথে প্রতারণা করে না। কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো মনগড়া শর্ত নেই। প্রতিটি নিয়ম আগে থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়।
ace37-কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন যারা — তারা সবাই বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের সংস্কৃতি বোঝেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র। ১০ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা নিয়ে ace37 প্রতিষ্ঠা করেছেন।
সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট হিসেবে ace37-এর সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নিরাপত্তা ও গতি তার মূল অগ্রাধিকার।
ace37-এর ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা ডিজাইনের দায়িত্বে। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের সুবিধামতো ইন্টারফেস তৈরিতে বিশেষজ্ঞ।
ace37-এর ৫০ সদস্যের গ্রাহক সেবা দলকে পরিচালনা করেন। প্রতিটি সমস্যার দ্রুত ও মানবিক সমাধানে বিশ্বাসী।
ace37 বিশ্বাস করে গেমিং যখন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে, তখন এটা একটা আনন্দদায়ক বিনোদন। কিন্তু যখন এটা অভ্যাসে পরিণত হয়, তখন সাহায্যের প্রয়োজন হয়। ace37 সেই সাহায্য দিতে সর্বদা প্রস্তুত।
নিজেই দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিট সীমা ঠিক করুন। ace37 সেই সীমার বাইরে কোনো লেনদেন গ্রহণ করবে না।
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিজের অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখার অপশন ace37-এ সবসময় পাওয়া যায়।
ace37 কঠোরভাবে ১৮+ নীতি মেনে চলে। নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক।
ace37-এ সবসময় দায়িত্বশীল গেমিং রিসোর্স উন্মুক্ত থাকে। সমস্যা অনুভব করলে সাপোর্ট টিম সাহায্য করবে।
🏆 ace37-এর পুরস্কার ও স্বীকৃতি: ace37 বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট সেক্টরে সেরা ইন্টিগ্রেশনের জন্য একাধিকবার স্বীকৃতি পেয়েছে। আমাদের গ্রাহক সন্তুষ্টি স্কোর ধারাবাহিকভাবে ৪.৭/৫-এর উপরে থাকে।